আজ বৃহস্পতিবার 6:54 am06 August 2020    ২১ শ্রাবণ ১৪২৭    16 ذو الحجة 1441
For bangla
Total Bangla Logo

ড. মরিস বুকাইলির বক্তৃতা অবলম্বনে

প্রাণিজগতের প্রজননপ্রক্রিয়া : কোরআন ও বিজ্ঞানের ভাষ্য

হাসানুল কাদির, প্রধান সম্পাদক, টোটালবাংলাটুয়েন্টিফোরডটকম

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ০৫:১৬ পিএম, ৬ আগস্ট ২০১৯ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৫:১৬ পিএম, ৬ আগস্ট ২০১৯ মঙ্গলবার

পবিত্র কোরআন শরিফ

পবিত্র কোরআন শরিফ

আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই মানুষ-পশু-গাছ-মাটি-আসমান-জমিন বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্রষ্টা। তিনি এসব কিভাবে সৃষ্টি করেছেন, কেন করেছেন- পবিত্র কোরআন ও হাদিসে তা চমৎকারভাবে উল্লেখ আছে। মানুষ তবু জানতে চায় নিজের মতো করে। গোটা পৃথিবী সাক্ষী, আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসুল পাঠিয়ে মানুষের জানার তৃষ্ণা মেটাতে প্রয়োজনীয় সব উপকরণ হাজির করেছেন। সাধারণ মানুষের সীমিত মেধা ও ক্ষমতায় সব কিছু বুঝতে চাইলেও বুঝতে না পারার দুর্বলতা দূর করতে তিনি সব নবী-রাসুলকে `অলৌকিক` ক্ষমতা দিয়ে পাঠিয়েছেন। এর মাধ্যমে তাঁরা আল্লাহভোলা মানুষকে আল্লাহর পথে ডেকেছেন। সব কিছু সৃষ্টির রহস্য ও প্রক্রিয়া সরাসরি কোরআনে উল্লেখ থাকলেও প্রাণিজগতের, বিশেষ করে মানুষের প্রজননপ্রক্রিয়া এত খোলামেলা ও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলেছেন, তা পৃথিবীর অন্য কোনো গ্রন্থ, দর্শন বা মাধ্যমে এখনো কল্পনাই করা যায় না। কোরআন নাজিলের সময় থেকেই চূড়ান্ত ঘোষণা জারি করেছে, এতে উল্লিখিত সবই পুরো সত্য। বিশ্বাস করলেও সত্য, না করলেও সত্য। এর বক্তব্য এবং ব্যাখ্যায়ও কোনো পরিবর্তন হবে না। অনন্তকালের জন্য এই কোরআন। এটি সম্পূর্ণ অবিকৃত রাখারও দায়িত্ব খোদ আল্লাহর। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, `আমি কোরআন অবতরণ করেছি। আমিই এর সংরক্ষণকারী।` এত কিছুর পর নিজের ক্ষমতার বাইরের ও ভেতরের সব কিছুকে জানতেই বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানের জন্ম।

 

 

 

বিজ্ঞান কখনো দাবি করে না, আমার বক্তব্যই চূড়ান্ত। এরপর এতে কোনো সংশোধন বা সংযোজন হবে না। বিজ্ঞান হলো, রহস্য ও জ্ঞান অন্বেষণের বিস্ময়কর বিশাল এক মিশন। ইতিমধ্যেই বিস্ময়কর অনেক সাফল্যও দেখিয়েছে। এই সময়ে কোটি কোটি মানুষ বিজ্ঞানের অনুসরণ করছে। তারা সব কিছুই আগে বিজ্ঞানের সঙ্গে পরখ করে নেয়। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গেই বিজ্ঞানের সঙ্গে বিপরীত বক্তব্য বর্জন এবং বিজ্ঞানীদের গাইডলাইন মেনে চলছে। তাদের মধ্যে অনুসন্ধানী মানুষ কোরআন অধ্যয়ন করলে আবার সে মানুষই কোরআন অনুসরণ করছে। বিজ্ঞান তার কাছে তখন দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। এই রচনায় মানুষ ও প্রাণিজগতের প্রজননপ্রক্রিয়া সম্পর্কে কোরআনের বক্তব্য এবং আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণালব্ধ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো। ডক্টর মরিস বুকাইলি। `দি বাইবেল, দি কোরআন অ্যান্ড সায়েন্স` এবং `দি কোরআন অ্যান্ড দি মডার্ন সায়েন্স` নামের দুটি বই লিখে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেন। ফরাসি এই বরেণ্য বিজ্ঞান গবেষক ১৯৭৬ সালের ৯ নভেম্বর একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। ফরাসি একাডেমী অব মেডিসিনে প্রদত্ত `ফিজিওলজিক্যাল অ্যান্ড এমব্রায়োলজিক্যাল ডাটা অ্যান্ড দি কোরআন` ছিল ওই ভাষণের আলোচ্য বিষয়। ঐতিহাসিক ভাষণটির ছায়া অবলম্বনেই নিচের সব তথ্য ও বক্তব্য যুক্ত করা হলো। প্রাণিজগতে প্রজননের ওপর চিন্তাভাবনা মানুষের প্রজননের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত করা হয়েছে। এখন আমরা এগুলো পরীক্ষা করব। দেহতত্ত্বের ক্ষেত্রে একটি আয়াতকে আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। রক্তসঞ্চালন প্রক্রিয়া আবিষ্কারের এক হাজার বছর আগে এবং শিরা-উপশিরাগুলোকে তরতাজা রাখার জন্য মানুষের আঁতের মধ্যে কী সব ঘটে, যা হজমপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়- এসব বিষয়ে মানুষের জ্ঞান লাভ হওয়ার প্রায় ১৩০০ বছর আগে কোরআনের একটি আয়াত দুধের উপাদানগুলোর উৎস সম্পর্কে এমন বিবরণ দিয়েছে, যা আমাদের আজকের বিজ্ঞানের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। এ আয়াতটির মর্ম উপলব্ধি করতে হলে জানতে হবে, আঁতের মধ্যে একপ্রকার রাসায়নিক প্রক্রিয়া ঘটে। সেখান থেকে খাদ্যনিঃসৃত কিছু অণু একটি জটিল ব্যবস্থার মাধ্যমে রক্তস্রোতে প্রবেশ করে। কখনো বা এগুলো যকৃতের পথে ঢুকে পড়ে, যা এগুলোর রাসায়নিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। রক্ত এগুলোকে শরীরের শিরা-উপশিরায় বহন করে নিয়ে যায়। এসবের মধ্যে রয়েছে দুধ প্রস্তুতকারী ক্ষিরি বা দুধাল গ্রন্থিগুলো। বিস্তারিত আলোচনায় না গিয়ে সোজাসুজি বলা যায়, মূলত আঁতের মধ্যে কিছু অণুজাতীয় বস্তু আঁতের দেয়ালের উপশিরার মধ্যে এসে উপস্থিত হয় এবং রক্তস্রোত এগুলোকে পরিবহন করে।

 

 

এই তথ্যগুলো পুরোপুরি বুঝলেই আয়াতটির মর্ম উপলব্ধি করা সম্ভব। এর ব্যাখ্যা হাজার বছর ধরে সম্পূর্ণরূপে অবোধগম্য নানা প্রকার ভাবধারণার জন্ম দিয়েছে। বিজ্ঞানের সাফল্যের বর্তমান যুগে তা বোঝা কঠিন নয়। আয়াতটির তরজমা হলো- `নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য চতুষ্পদ পশুদের অনেক প্রচুর শিক্ষা রয়েছে। আমি তোমাদের তাদের উদরস্থিত যা আছে তা থেকে পান করতে দিই, যা তাদের আঁতের মধ্যকার (কিছু বস্তু) ও রক্তের সংমিশ্রণ থেকে আসে- খাঁটি দুধ এবং যারা তা পান করে। এটা (তাদের জন্য) সন্তুষ্টিদায়ক।` সুরা নাহল, আয়াত ৬৬। মানুষের প্রজনন বিষয়ে বক্তব্যের সমাবেশ ঘটেছে পবিত্র কোরআনে। প্রতিটি বক্তব্য ভ্রূণতাত্তি্বকদের জন্য চ্যালেঞ্জস্বরূপ। যারা এ ব্যাপারে মানুষের বোধগম্য একটি ব্যাখ্যার অন্বেষণে ব্যাপৃত আছেন। এসব বক্তব্য একমাত্র ওই সব মৌলিক বিজ্ঞানের উদ্ভাবনের পর মানুষের বোধগম্য হয়েছে, যেগুলো আমাদের জীববিদ্যা সম্পর্কিত জ্ঞান দান করেছে; বিশেষত অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার হওয়ার পরই তা সম্ভব হয়েছে। খ্রিস্টীয় সাত শতকের প্রথম দিকে বসবাসকারী মানুষের পক্ষে এ ধরনের ভাবধারণা ব্যক্ত করা অসম্ভব ছিল। ওই সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ও আরবের লোকেরা ইউরোপ বা অন্যান্য দেশের লোকদের চেয়ে এ বিষয়ে অধিক জ্ঞাত ছিল বলে ইতিহাসে কোনো প্রমাণ নেই। এখন অনেক মুসলিম কোরআন এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অধিকারী। তাঁরা কোরআনের বক্তব্যগুলোর সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের বদৌলতে প্রাপ্ত মানবিক জ্ঞানের এই তুলনাটির গুরুত্ব পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করেছেন। আঠারো বছর বয়স্ক সৌদি আরবে লালিত-পালিত একজন মুসলিমের একটি মন্তব্য আমি সর্বদা মনে রাখব। কোরআনে বর্ণিত প্রজননপ্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে তিনি মন্তব্যটি করেছিলেন।

 

 

এর দিকে নির্দেশ করে তিনি বললেন, `এই মহাগ্রন্থ আমাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি পরিবেশন করে। আমি যখন বিদ্যালয়ে পড়ি, শিশুরা কী রূপে জন্মগ্রহণ করে, তা ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁরা কোরআন ব্যবহার করেছিল। যৌনশিক্ষা সম্পর্কে আপনাদের বইগুলো মঞ্চের ওপর একটু পরে আগত।` প্রজনন সম্পর্কে কোরআনে বিস্তারিত বিবরণ যুক্ত হয়েছে। আমি সব আলোচনা করতে চাইলে সময়সীমা লঙ্ঘন হবে। `দি বাইবেল, দি কোরআন অ্যান্ড সায়েন্স` গ্রন্থে আমি বিস্তারিত ভাষাগত ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছি। যাঁরা আরবি বলতে বা পড়তে জানেন না কিংবা ভ্রূণতত্ত্ব সম্পর্কেও তত জ্ঞানী নন, তাঁরাও আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে আয়াতগুলোর অর্থ সহজে হৃদয়ঙ্গম করতে সমর্থ হবেন। এ পর্যায়ে কোরআন নাজিল হওয়ার প্রেক্ষাপট, একদিকে পরিব্যাপ্ত কুসংস্কার, রূপকথা, অন্ধবিশ্বাস এবং অন্যদিকে কোরআনের আলোচ্য বিষয় ও আধুনিক তথ্যাদির তুলনা, আমাদের হতবাক ও বিস্ময়াবিষ্ট করে। কারণ পরবর্তী দুয়ের মধ্যে এরূপ পূর্ণ মতের ঐক্য কী রূপে বিরাজ করতে পারে। কোরআনে কী রূপে তখনকার সমাজে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারে? এসব আয়াত থেকে আমরা সুনির্দিষ্ট ধারণাগুলো পৃথক করতে পারি, যেগুলোর মধ্যে বিশেষত উর্বর প্রক্রিয়াজাত তরল পদার্থের জটিলতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই তথ্যও যে এর অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরিমাণের প্রয়োজন হয় (প্রজননের) উর্বর প্রক্রিয়ার জন্য এবং এর `সারবস্তু`। `কুইটেসসেন্স` আমি যদি আরবি `মুলালা` শব্দের এই তরজমা করতে পারি। স্ত্রীলোকের প্রজনন অঙ্গে ডিমের অবস্থিতি সম্পর্কে সুসম্পন্নরূপে বক্তব্য রয়েছে `আলাক` শব্দের দ্বারা, যা কোরআনের ৯৬ নম্বর সুরার নামও ধারণ করেছে। `আল্লাহ্ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন `আলাক` থেকে।` সুরা আলাক, আয়াত ২। আলাকের অথর্, জমাট রক্ত বা যা লটকে যায়। আমার মনে হয় না, `আলাক`-এর ওই প্রাথমিক অর্থ ছাড়া অন্য কোনো শব্দ বা অর্থে এর যুক্তিসংগত তরজমা হতে পারে। ব্লাশেয়ার Blachire)-এর মতে, `আলাক`-এর তরজমা `এডহিয়ারেন্স` অর্থাৎ `পক্ষপাত` বা `লেগে যাওয়া` বলে করা অথবা অধ্যাপক হামিদুল্লাহ্র মতো `ব্লাড ক্লাট` অর্থাৎ `রক্তকণা` বলে মনে করা ভুল হবে। এর উভয়টিই ডিরাইভেটিভ অর্থাৎ গৌণ অর্থ (মুখ্য অর্থ নয়) এবং (প্রজননপ্রক্রিয়ার) পরিপ্রেক্ষিতে (এরূপ অর্থ) সম্পূর্ণরূপে স্থানবহির্ভূত। মায়ের গর্ভের অভ্যন্তরে ভ্রূণের ক্রমবিকাশ সম্পর্কে কেবল সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হয়েছে। সংক্ষিপ্ত হলেও বিবরণটি যথাযথ। কারণ সরল এই একটি শব্দই সঠিকভাবে ভ্রূণের বর্ধনের মৌলিক স্তরগুলো নির্ভুলভাবে সূচিত করে। সুরা মু`মিনুন-এ আমরা তা-ই পাঠ করে থাকি- `আমি সৃষ্টি করেছি ওই জিনিসটি, যা লটকে যায় চর্বি ও মাংসপিণ্ডের মধ্যে এবং আমি চর্বিত মাংস হাড়ে পরিণত করি এবং হাড়গুলোকে আঁটসাঁট গোশত পরিধান করাই।` আয়াত নম্বর ১৪।

 

 

`মুদগা` অর্থাৎ `চর্বিত মাংস` কথাটি ভ্রূণের ক্রমবর্ধনের একটি বিশেষ স্তরে, এর অবয়বের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। এক স্তরে ভ্রূণ চর্বিত মাংসের মতো দেখায়। আমাদের জানা আছে, হাড়গুলো পিণ্ডের অভ্যন্তরে উৎপন্ন হয় এবং এর পরে এগুলো গ্রন্থি বা `মাংসল` দ্বারা আবৃত হয়। এ-ই হচ্ছে `লাহাম` বা `আঁটসাঁট গোশত`-এর তাৎপর্য। ভ্রূণ এমন একটি স্তর দিয়ে অতিক্রম করে, যেখানে কয়েকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুসামঞ্জস্য হয় এবং অন্যগুলো অসামঞ্জস্য হয়ে থাকে। শেষমেশ এগুলোর সঙ্গেই ব্যক্তির উন্মেষ ঘটে। সম্ভবত সুরা হজের আয়াতে এ কথাটিই বলা হয়েছে- `আমি (মানুষকে) তৈরি করেছি এমন একটি জিনিসে, যা একটা সুসামঞ্জস্য ও অসামঞ্জস্য মাংসপিণ্ডে লটকে যায়।` আয়াত নম্বর ৫। সুরা সিজদার মধ্যে মানুষের ইন্দ্রিয়গুলো ও হৃদয়ের উন্মেষ সম্পর্কে বলা হয়েছে- `(আল্লাহ্) তোমাদের জন্য তৈরি করে দিয়েছেন শ্রবণ, দৃষ্টি ও হৃদয়।` আয়াত নম্বর ৯। মানুষ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে উল্লিখিত বক্তব্যগুলোর সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের কোনো বিরোধ নেই। বিজ্ঞানীদের গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে বরং কোরআন শরিফ দিকনির্দেশকের ভূমিকা পালন করেছে।

 

 

আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোরআন অবতরণের সময় প্রচলিত মক্কা-মদিনা বা মধ্যপ্রাচ্যের ভুল ধারণাগুলো কোনোভাবেই এতে যুক্ত হয়নি। পবিত্র কোরআনের বক্তব্যের কোনো অংশকেই বিজ্ঞান এখনো চ্যালেঞ্জ করতে সক্ষম হয়নি। মাঝেমধ্যে কিছু বিতর্ক তৈরি হয়েছে। হয়তো ভবিষ্যতেও হবে। মুসলমান হলে আগে কোরআনের বক্তব্যে বিশ্বাস করতে হবে। পরে বিজ্ঞানের সঙ্গে এর মিল খুঁজতে পারেন। এ ক্ষেত্রে দুটোই মিলে গেলে ভালো। শুরুতেই উল্লেখ করেছি, বিজ্ঞানের বক্তব্য ও দাবি পরিবর্তনশীল। বিজ্ঞানীরা নিয়ত রহস্য উন্মোচনে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কোনো বিজ্ঞানীই এখন পর্যন্ত পবিত্র কোরআনের ধারক নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর মতো চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারেননি, `লা রাইবা ফীহি-এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ করার সুযোগ নেই। পবিত্র কোরআনের প্রতিটি বক্তব্য অপরিবর্তনীয়।`

 

hasanulkadir@gmail.com

 

হাসানুল কাদির, প্রধান সম্পাদক, টোটালবাংলাটুয়েন্টিফোরডটকম

ধর্ম-এর সর্বশেষ খবর