আজ বৃহস্পতিবার 6:43 am06 August 2020    ২১ শ্রাবণ ১৪২৭    16 ذو الحجة 1441
For bangla
Total Bangla Logo

পুুরান ঢাকায় বর্জ্য অপসারণসেবায় ফাস্ট ক্লিনের নজির স্থাপন

স্টাফ রিপোর্টার ও মো. জাকারিয়া আহমেদ, ঢাকা

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ০৭:০১ পিএম, ৪ অক্টোবর ২০১৯ শুক্রবার | আপডেট: ০৬:৪৭ পিএম, ৫ অক্টোবর ২০১৯ শনিবার

ফাস্ট ক্লিনের কর্মীদের ক্যামেরাবন্দি করেছেন মো. জাকারিয়া আহমেদ।

ফাস্ট ক্লিনের কর্মীদের ক্যামেরাবন্দি করেছেন মো. জাকারিয়া আহমেদ।

সিটি মেয়র আলহাজ মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ঢাকা সিটি করপোরেশনকে গ্রিন এন্ড ক্লিন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার যে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন, এক্ষেত্রে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে জননন্দিত কাউন্সিলর হাজী মো. আউয়াল হোসেনের পৃষ্ঠপোষকতায় ফাস্ট ক্লিন নামের প্রতিষ্ঠানটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে।  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য অপসারণসেবায় ২০১৭ সালের  ১ নভেম্বর নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফাস্ট ক্লিন যাত্রা শুরু করে। ফাস্ট ক্লিনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রবিন। তাঁর সঙ্গে পরিচালক হিসেবে আছেন আসাদুজ্জামান (আসাদ) ও হাসিবুল হাসান শান্ত। সহকারী পরিচালক আছেন ইমরান ইসলাম এনি। প্রধান সমন্বয়কারী আছেন জনাব নাজির আহমেদ, তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের (বংশাল) বিচার ও সালিশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক। উপদেষ্টা হিসেবে আছেন জনাব মাসুম আহমেদ, তিনি বংশাল আশার আলো সমাজকল্যাণ সংগঠনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক।

 


‘ঝকঝকে প্রতিদিন, ফাস্ট ক্লিনের সেবা নিন’ স্লোগান নিয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে ফাস্ট ক্লিন। কাউন্সিলর হাজী মো. আউয়াল হোসেনের প্রত্যক্ষ ও সার্বিক সহযোগিতায় শুরু থেকেই ফাস্ট ক্লিন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা সেবা দিয়ে আসছে। ফাস্ট ক্লিনের সভাপতি মো. রবিন জানান, ও ওয়ার্ডে ১১টি ইউনিট থাকলেও তাকে আমরা সাব-ইউনিট মিলিয়ে ১৬টি বানিয়েছি। আমাদের প্রতিটি ইউনিট ও সাব-ইউনিটের কর্মীরা বাসা-বাড়ি-অফিস-কারখানা-দোকান-পাট থেকে সবধরনের ময়লা-আবর্জনা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিয়মিত সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে অপসারণ করা হয়। ইতিমধ্যে গত দুই বছরে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ১২টি ওপেন ডাস্টবিন (অবৈধ ডাস্টবিন) রাস্তা থেকে উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব ওপেন ডাস্টবিনের কারণে এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছিল। ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার আবাসস্থল ছিল বলেও প্রচার করা হয়।

 

 

 


মো. রবিন বলেন, অন্যান্য ওয়ার্ডেও বর্জ্য অপসারণে কিছু প্রতিষ্ঠান আছে। তারাও বর্জ্য অপসারণের কাজ করে থাকে। কিন্তু আমাদের ফাস্ট ক্লিনের মতো এতোটা গোছালো কোনো বর্জ্য অপসারণকারী প্রতিষ্ঠান আর আছে বলে আমার জানা নেই। আমাদের নিজস্ব মনিটরিং অফিসার আছেন ৫ জন।

 


ফাস্ট ক্লিন পরিচ্ছন্নতায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে বিভিন্ন ধরনের প্রচার অভিযানেও অংশ নেয়। তারা বাসা বাড়ি, অফিসে, দোকানে স্টিকার বিলি ও পোস্টার টানিয়ে রেখেছে। তাতে লেখা- ‘যত্রতত্র  ময়লা আবর্জনা ফেলবো না, আমি পারি, আমি পারবো, আমার বাসাবাড়ি আমিই পরিষ্কার রাখবো।’ ফাস্ট ক্লিন দায়িত্বশীল সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি হটলাইনও চালু করেছে ০১৯৭৫ ৬৮৬৩৭০ এবং ০১৬৭৫ ৬৮৬৩৭০। এ নাম্বারে কেউ অভিযোগ করলে মুহূর্তের মধ্যেই সমস্যার সমাধান করা হয়।  ফাস্ট ক্লিনের অফিস : ৫৭, আগাসাদেক রোড, বংশাল, ঢাকা ১০০০-এ|

 


ফাস্ট ক্লিনের সভাপতি জানান, ভবিষ্যতে তারা অন্যান্য ওয়ার্ডেও তাদের বর্জ্য অপসারণ সেবাটি ছড়িয়ে দিবেন। এক্ষেত্রে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সহযোগিতা আশা করেন। তিনি হাজী মো. আউয়াল হোসেনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, তাঁর সার্বিক সহযোগিতার কারণেই ফাস্ট কিøন এ পর্যন্ত আসতে পেরেছে। আমরা আগামীতেও তাকে অত্র এলাকার কাউন্সিলর হিসেবে চাই।

 

# সাক্ষাৎকার : মাতৃবন্ধু এএইচএম নোমান
দারিদ্র্য দূর করতে উৎসে নজর দিয়ে মায়েদের মাধ্যমেই তা করতে হবে

জাতীয়-এর সর্বশেষ খবর