Total Bangla Logo
For bangla আজ বৃহস্পতিবার 12:41 am
27 July 2017    ১১ শ্রাবণ ১৪২৪    02 ذو القعدة 1438

হুম্মাম কাদের জামিন পেলেন

নিজস্ব প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ০৫:৪২ পিএম, ৮ মার্চ ২০১৭ বুধবার

মা ফারহাত কাদের চৌধুরীর পাশে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে দেখা যাচ্ছে

মা ফারহাত কাদের চৌধুরীর পাশে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে দেখা যাচ্ছে

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধের রায় ফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী। ঢাকা সিটি হাকিম মাহমুদুল হাসানের আদালতে বুধবার (৮ মার্চ ২০১৭) উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। আদালত তা মঞ্জুর করেন।

 

 

আরও পড়ুন-তারেককে দেশে আনতে হবে, কারাবন্দির দিন পালন করলেই হবে না

 



তথ্য-প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ও ছেলেকে খালাস দিয়ে আইনজীবীসহ পাঁচজনকে কারাদণ্ড দেন আদালত। ওই মামলায় সাজার আদেশ পাওয়া এক আসামির আপিলের গ্রহণযোগ্যতার শুনানিতে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের বেঞ্চ ২২ নভেম্বর স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন। রুলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ও ছেলেকে খালাসের রায় বাতিল করে কেন তাদের যথাযথ সাজা দেওয়া হবে না-তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে আদালত আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলেন। আদেশের অনুলিপি হাতে পাওয়ার ছয় সপ্তাহের মধ্যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

 

গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধের রায় ফাঁসের ঘটনায় তার স্ত্রী ও ছেলেকে খালাস দিয়ে আইনজীবীসহ পাঁচজনকে কারাদণ্ড দেন আদালত। এর মধ্যে ট্রাইব্যুনালে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী ফখরুল ইসলামকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, সেই সঙ্গে এক কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান, ফখরুলের সহকারী মেহেদী হাসান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক হোসেনকে দেওয় হয় সাত বছরের কারাদণ্ড। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।    

জামিনে থাকা ফারহাত কাদের চৌধুরী রায়ের সময় আদালতে হাজির হন। তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে পলাতক দেখিয়েই আদালত রায় ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি, তাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গত আগস্টের শুরুতে তুলে নিয়ে যায়।   

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের এ মামলায় দুপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয় গত বছরের ৪ আগস্ট। সেদিন শুনানিতে হাজির না থাকায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ হয়। হুম্মামের আইনজীবী আমিনুল গণী টিটোর অভিযোগ, সেদিন শুনানিতে হাজির হতে আদালত এলাকায় নামার পরপরই ডিবি পরিচয়ে তাকে তুলে নেওয়া হয়।

 

 

আরও পড়ুন-আমেরিকার চশমাটা ভুল, দেখার চোখটাও ঝাঁপসা : তথ্যমন্ত্রী ইনু

 


নিখোঁজ হওয়ার ছয় মাস পর ৩ মার্চ ২০১৭ বাড়ি ফেরেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। বুধবার (৮ মার্চ ২০১৭) তিনি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।

 

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকায় ২০১৫ সালের নভেম্বরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায় হয়েছিল ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর। ওই রায়ের দিন সকালেই তার স্ত্রী, পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা রায়ের ‘খসড়া কপি’ও সাংবাদিকদের দেখান। তারা আদালতের রায়কে কটাক্ষও করেছিলেন।