Total Bangla Logo
For bangla আজ শুক্রবার 2:47 pm
28 July 2017    ১৩ শ্রাবণ ১৪২৪    04 ذو القعدة 1438

বিশ্ব অর্থনীতি : চলতি বছর চাঙা হবে

চৈতি খন্দকার, সাব-এডিটর

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ০৪:৪৫ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৯:৫৯ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ মঙ্গলবার

আপডেট টু দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক

আপডেট টু দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক

২০১৭ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাঙাভাব ফিরে আসবে। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল- আইএমএফ। আমেরিকাভিত্তিক এ সংস্থার মতে, গেল বছর অর্থাৎ ২০১৬ সাল বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নিষ্প্রভ ছিল। চলতি বছরে অর্থনৈতিক গতি বাড়বে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর। এতে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।


মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা, আফৃকার দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল অর্থনীতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের কারণে উদ্বাস্তু ও অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা আইএমএফের।

আইএমএফ সোমবার (১৬ জানুয়ারি ২০১৭) বিশ্ব অর্থনীতি সম্পর্কে হালনাগাদ প্রতিবেদন ‘আপডেট টু দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রকাশ করেছে। এর আগে এ সংস্থা গত বছরের অক্টোবরে দেওয়া এক পূর্বাভাস প্রতিবেদনে বলেছিল, ২০১৭ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হবে।

নতুন এই প্রতিবেদনেও বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার একই রাখা হয়েছে। এর পরের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি ৬ দশমিক ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

ইনডিয়ার প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, গত বছরের নভেম্বরে নরেন্দ্র মোদি সরকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সে দেশে অভ্যন্তরীণ ভোগ ব্যয় কমেছে। এর প্রভাবে প্রবৃদ্ধি কমবে। বলা হচ্ছে, চলতি বছর ইনডিয়ায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

আইএমএফ-এর প্রতিবেদনে আমেরিকা সম্পর্কে বলা হয়েছে, নতুন প্রেসিডেন্ট আসায় সে দেশে এ বছর ২ দশমিক ৩ ও আগামী বছর ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।


আইএমএফ ভাবছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। এতে গত ১৫ বছরের মধ্যে তেল রফতানিকারক দেশগুলো প্রথমবারের মতো তেলের উৎপাদন কমাতে সম্মত হয়। এর ফলে অর্থনৈতিক গতি বাড়বে রাশিয়ার।


প্রতি তিন মাস পর হালনাগাদ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এবারে বলা হচ্ছে, ২০১৬ সালের মাঝামাঝি আমেরিকাসহ কিছু উন্নত দেশ অর্থনীতিকে চাঙা করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে অর্থনৈতিক গতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নীতি নির্ধারণ পরিবর্তন করা হলে প্রবৃদ্ধি অর্জনে ঝুঁকি থাকবে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।