আজ শুক্রবার 9:37 am10 July 2020    ২৫ আষাঢ় ১৪২৭    19 ذو القعدة 1441
For bangla
Total Bangla Logo

কোটি টাকা লুট

পিকেএসএফের অস্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আলজাজিরাবাংলা.কম

প্রকাশিত : ০৩:২০ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ শুক্রবার

পিকেএসএফের অস্বীকার

পিকেএসএফের অস্বীকার


বুধবার সংস্থাটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে এ দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দুদক সূত্র এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

সম্প্রতি জলবায়ু মোকাবিলা খাতের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অভিযোগ রয়েছে এ খাতে অর্থ নেওয়া এনজিওগুলোর মধ্যে ১০টি এনজিওর কোন অস্তিত্ব নেই। অস্তিত্বহীন এসব এনজিও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

অভিযুক্ত ১০ এনজিওগুলো হল- রাজধানীর শান্তিনগরের সমাহার, শাহবাগের সোসাইটি ফর আরবান অ্যান্ড রুরাল হিউম্যান ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট, মোহাম্মদপুরের সূর্যশিক্ষা, নিউ ইস্কাটনের ডেভেলপমেন্ট ফর সোসাইটি, শ্যামলির পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ, মিরপুরের বাসাবো জনকল্যাণ সংস্থা, বনানীর শেল্টার হাউজ, মোহাম্মদপুরের আস্থা সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন, তেজগাঁওয়ের ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ফর সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পোভার্টি এলিভেশন ও মাদারটেকের নেবুলা হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি।

দুদক চেয়ারম্যানের কাছে পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কার্যক্রম) মো. ফজলুল কাদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুল বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের চেয়ারম্যানকে তিনি জানান, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (বিসিসিএফটি) প্রকল্পের আওতায় অনুদান প্রাপ্ত ১০টি এনজিওর অস্তিত্ব নেই অথবা জলবায়ু তহবিলে কোটি কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে এ সব অভিযোগ ভুল।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা সরেজমিনে অনুসন্ধান করে যা পেয়েছি, তাই টিআইবির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। আমরা কোন মিথ্যা অভিযোগ করিনি। তবে ওই সব এনজিওগুলোর যদি অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে তা টিআইবির প্রতিবেদনেরই ইতিবাচক দিক।

অভিযোগে বলা হয়, জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলা খাতে অর্থায়ন নিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। বিসিসিটিএফের পক্ষ থেকে জলবায়ু মোকাবিলায় অর্থায়ন সংক্রান্ত কাজে ৫৫টি এনজিওর কোনো অস্তিত্ব নেই।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জলবায়ু তহবিলের অর্থায়ন নিয়ে রাজনীতিকরণ ও দুর্নীতি হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জলবায়ু তহবিল থেকে যে ৫৫টি এনজিওকে টাকা দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ১০টি এনজিওর কোনো অস্তিত্ব নেই। আর টাকা পাওয়া ১৩টি এনজিওর নির্বাহী অথবা পরিচালনা পর্ষদ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এখানে রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে প্রকল্প পেয়েছে নয়টি এনজিও। ৫৫টি এনজিওর মধ্যে মাত্র ১৭টি প্রতিষ্ঠান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক কাজে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত।