আজ রবিবার 6:05 pm09 August 2020    ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭    19 ذو الحجة 1441
For bangla
Total Bangla Logo

ব্যাপক সমালোচনা

নার্গিসের পাশে আওয়ামী নেত্রীদের সেলফি

ডেস্ক রিপোর্ট

আলজাজিরাবাংলা.কম

প্রকাশিত : ০২:৪০ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৬ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০২:৪৪ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৬ বৃহস্পতিবার

নার্গিসের পাশে আওয়ামী নেত্রীদের সেলফি

নার্গিসের পাশে আওয়ামী নেত্রীদের সেলফি

সিলেটে ছাত্রলীগকর্মীর হামলায় সংকটাপন্ন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। খাদিজা এখন জীবন-মৃত্যু সন্ধিক্ষণে।


ওই তিন নেত্রী বুধবার সন্ধ্যায় স্কয়ার হাসপাতালে খাদিজাকে দেখতে যান। খাদিজাসহ তোলা সেই সেলফি সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফেসবুকে আপলোড করেন এমপি তুহিন। দেখা যায় তারা শুধু গ্রুপ সেলফি তোলেননি, এককভাবেও খাদিজার বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন। এরপর থেকেই ছবিগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা।

খাদিজার ওপর যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে, তাতে সারাদেশের মানুষ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ডাক্তাররা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। এমন স্পর্শকাতর অবস্থায় সংকটাপন্ন ওই নারীর পাশে আওয়ামী লীগের নেত্রীদের সেলফি দেখে তাই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা।

সমালোচনার মুখেও এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন তার ফেসবুক পেজ থেকে সেলফি সরিয়ে নেননি। উল্টো ওই সেলফি আপলোড করার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, “আমরা কালকে খাদিজা নামের যে মেয়েটা মারা গেছে বলে যে তথ্য বের হয়েছে, এটা আমরা দেখাতে চেয়েছি, মেয়েটা বেঁচে আছে-এজন্য ছবিটা তোলা । স্ট্যাটাসে বদরুলের ফাঁসি চেয়ে স্ট্যাটাসটা দেয়া হয়েছে । নারী হিসেবে মেয়েটির পাশে দাড়ানোর অঙ্গীকার নিয়ে তার পাশে আছি-এটা বোঝানোর জন্য তার ব্যপারে স্ট্যাটাস দেয়া । ভাল মন-মানসিকতা নিয়ে তার পাশে একজন নারী হিসেবে পশুর বিচার চেয়ে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে । ছাত্রলীগের নামধারী যে এখন ছাত্রলীগ করে না আমরা তার পক্ষে না, আমরা নির্যাতিতের পক্ষে। তাই এ ছবির অর্থ কেউ ভিন্নভাবে নিতে পারে আমার বা আমাদের কাছে ছিল আমরা সকল নির্যাতিত নারীর পক্ষে ।” [অসংলগ্নতা থাকলেও স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হয়েছে]

পরে আরও একটি স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, “আমাদের কে নিয়ে যত লিখেন আমরা কখনও অন্যায়কারীর পক্ষে না, আমরা ন্যায়ের পক্ষে । আমরা বদরুলদের ঘৃণা করি। কারণ, মেয়েটি যখন পরে ছিল তখন আমার ছাত্রলীগের ভাই ইমরান তাকে হাসপাতালে নিয়েছে, রক্ত দিয়েছে । আমরা জেল-জুলুম খেটেছি তখন তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের পাশে পাই নাই । এক লোক ভোরে পানিতে নেমেছে সে দেখে আরেকজন পানিতে নেমেছে, সে ভাবে সে মনে হয় আমার মত নামাজী। কারণ, সে নামাজী। আরেকজন সে চুরি করে, সে ভাবে, সে মনে হয়, আমার মত চোর। কারণ সে চুরি করে । এখন বিষয়টা ভাবনার উপর নির্ভর করে স্ট্যাটাসটা না দিলে জনগণ বুঝবে কিভাবে, কেন ছবিটা দেয়া হয়েছে ।”

 এ বিষয়ে অপু উকিলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্য নারীর নামও জানা যায়নি।

বিনোদন-এর সর্বশেষ খবর