আজ বৃহস্পতিবার 10:01 pm21 September 2017    ৬ আশ্বিন ১৪২৪    29 ذو الحجة 1438
For bangla
Beta Total Bangla Logo

কাশমির সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হতে আগ্রহী এরদোগান

ডেস্ক রিপোর্ট

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ০৮:৫০ পিএম, ১ মে ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ০৯:০৮ পিএম, ১ মে ২০১৭ সোমবার

ইনডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান

ইনডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান

কাশমির সমস্যার সমাধানে মধ্যস্থতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। ইনডিয়াতে সফররত তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান সোমবার হায়দারাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে খবর দিচ্ছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।


রয়টার্স ও ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে ইনডিয়ার সঙ্গে তুরস্কের ৬.৫ বিলিয়ন বার্ষিক বাণিজ্য ‘যথেষ্ট নয়’ এবং তা বাড়ানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ইনডিয়ায় সফররত তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

 

আরও পড়ুন: বিএনপিকে নির্বাচনে চায় আওয়ামী লীগ : ড. মঈন

 


সোমবার নয়াদিল্লিতে ইনডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘টিআরটি হাবের’ সম্প্রচারিত এই সংবাদ সম্মেলনে এরদোগান বলেন, ‘আমি মনে করি এটি ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করলে তা উপকার বয়ে আনবে।’



তিনি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন,  তার দেশীয় ফেতুল্লাহ গুলেন নেটওয়ার্ককে বহিষ্কার করার জন্য হিন্দুস্তান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


গত বছরের জুলাই মাসে একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থানের জন্য আঙ্কারা ফেতুল্লাহ গুলেন নেটওয়ার্ককে দায়ী করে আসছে।

 

আরও পড়ুন: যেমন ফর্ম নিয়ে সৌম্য-তামিমরা

 


এর আগে এরদোগানকে স্বাগত জানিয়ে ইনডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ইনডিয়া ও তুরস্কের উচিৎ হবে ইতোমধ্যে গড়ে ওঠা তাদের ইতিবাচক ব্যবসা এবং রাজনৈতিক বন্ধনকে আরো জোরদার করা।


রবিবার (১ মে ২০১৭) সন্ধ্যায় দিল্লি এসে পৌঁছান এরদোগান। এই সফরে এরদোগানের সঙ্গে তুরস্কের একটি বিশাল ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল সফর করছে।


মোদী বলেন, সর্বশেষ ২০০৮ সালে এরদোগানের ইনডিয়া সফর করার পর দু`দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুনেরও বেশি হয়েছে এবং এটি বাড়ার আরও বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।


সোমবার এরদোগানের ইনডিয়া সফরের শেষ পর্যায়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে বলে উভয় দেশের কর্মকর্তারা আশা করছেন।

 

আরও পড়ুন: সুপৃম কোর্টের সামনে গৃক দেবী নয়, পবিত্র কুরআনের স্তম্ভ চাই

 


আজকালের প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, কাশমির সমস্যা সমাধানে বহুপাক্ষিক আলোচনার প্রয়োজন। সেই আলোচনার অংশীদার হতে চায় তুরস্কও। এই আলোচনায় প্রয়োজনে মধ্যস্থতাও করতে চান বলে এদিন জানিয়ে ছিলেন তিনি।


এরদোগান আরো বলেন, তার মতে বিশ্বের শান্তি বজায় রাখার একটাই পথ আলোচনা। সেই পথেই ইনডিয়া  পাকিস্তানকে এগোনো উচিত বলে জানিয়েছেন এরদোগান। ইনডিয়া ও পাকিস্তান দুই দেশের সঙ্গেই অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে তুরস্কের। সেকারণেই এই মধ্যস্থতার প্রস্তাব।


এরদোগানের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা রুচি ঘনশ্যাম বলেন, তুরস্কের প্রেসিডন্টের এই অনুভবের সম্মান করে ইনডিয়া। তবে কাশমির ইনডিয়ার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এনিয়ে কোনো প্রশ্নই নেই।


তুরস্কের কুর্দিশ সমস্যার সমাধানে কী করছেন প্রশ্ন করতে এরদোগান বলেন, দুটো সম্পূর্ণ পৃথক সমস্যা। কাজেই কাশমির আর কুর্দিশ সঙ্কট এক করে ফেলা ঠিক হবে না।