আজ বুধবার 1:06 am20 September 2017    ৪ আশ্বিন ১৪২৪    27 ذو الحجة 1438
For bangla
Beta Total Bangla Logo

এপৃল ফুলের ইতিহাস থেকে বিশ্ব মুসলিমের করণীয় কী, জানুন, জানান দিন

মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী/হাসানুল কাদির

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ১০:২৭ পিএম, ৪ এপ্রিল ২০১৭ মঙ্গলবার | আপডেট: ১০:৫২ এএম, ৫ এপ্রিল ২০১৭ বুধবার

মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী : চেয়ারম্যান, ইসলামী ঐক্যজোট

মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী : চেয়ারম্যান, ইসলামী ঐক্যজোট

পয়লা এপৃল বিশ্ব মুসলিমের একটি শোকের দিন। স্পেনের মুসলিমদের মধ্যে বিশ্বাসঘাতকতা, আত্মঘাতী ভাই-ভাইয়ে যুদ্ধ, বিজাতীয়দের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও খৃস্টানদের প্রতারণার শিকার হয়ে ১৪৯২ সালের পয়লা এপৃল স্পেনে  প্রায় ৭ লাখ মুসলিম  নারী-পুরুষ ও শিশুকে শহিদ করার মধ্য দিয়ে এই দিনটির নতুন কালো অধ্যায়ের শুরু। রানি ইসাবেলা ও ফারডিন্যান্ডের প্রতিশ্রতি অনুযায়ী জীবনের নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে ধর্মকর্ম করার অধিকার, মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান অক্ষত রাখার শর্তে আত্মসমর্পণ করে ওই সময়ের স্পেনের  গ্রানাডার মসজিদগুলোতে আশ্রয় গ্রহণকারী মুসলমানদের পুড়িয়ে হত্যা করার পর ফারডিন্যান্ড মুসলমানদের এপৃল ফুল (এপৃল বোকা) হিসেবে অভিহিত করে উল্লাস করে। সেই থেকে মুসলিমদের সঙ্গে প্রতারণার স্মৃতি হিসেবে পাশ্চাত্যে আনন্দের দিন হিসেবে এপৃল ফুল (এপৃল বোকা) দিনটি পালন হয়ে আসছে। পাশ্চাত্যের অনুসরণে মুসলিম বিশ্বেও অনেকে পয়লা এপৃলে একে অন্যকে বোকা বানানোর খেলায় মেতে উঠেন।

এপৃল ফুল পালন করার প্রচলন শুরু হয় ফ্রান্স থেকে। ১৭০০ শতাব্দী পূর্বে ফ্রান্সে বছরের শুরু হত এপৃল মাস থেকে। এপৃল শব্দটা গৃক শব্দ। তারা যে দেবতার পূজা করতো তার নাম ছিল এপৃল। এপৃল মাস আসলে ফরাসিরা নানা ধরনের আচার-অনুষ্ঠান-পূজা-অর্চনার আয়োজন করতো। পয়লা এপৃল আনন্দ-উৎসবের অংশ হিসেবে ফরাসিরা একে অপরকে ধোঁকা দিতো, বোকা বানাতো।

 

আরও পড়ুন-বিএনপির ১৯ দফা, তারেককে দেশে আনতে রাজপথ গরম করবেন খালেদা



ইউরোপে ২১ মার্চ থেকে ঋতুর পরিবর্তন শুরু হতো। এই পরিবর্তনকে ইউরোপিয়ানরা তামাশা মনে করতো। ইউরোপিয়ানরা তখন পয়লা এপৃল একজন আরেকজনের সঙ্গে তামাশা করতো। এপৃল ফুল (এপৃল বোকা) দিন প্রচলনের এটিও একটি কারণ।

হজরত ঈসাকে (আ.) হয়রানিকরণ থেকেও এপৃল ফুল দিনটির সূচনা বলে জানা যায়।  পয়লা এপৃল হজরত ঈসাকে (আ.) বোকা বানানোর প্রচলন শুরু হয় বলে কথিত আছে।   হজরত ঈসা (আ.) যখন আসমানি কিতাব ইনজিল শরিফ নিয়ে বনি ইসরাঈলের কাছে গেলেন, তখন তাঁরা উষ্মা প্রকাশ করলো। তখন আসমানি কিতাব হিসেবে তাওরাত শরিফ বলবৎ ছিল। সেই সময় ইহুদি পাদ্রিরা ক্ষেপে গেলো। তাঁরা হজরত ঈসা (আ.)-এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলো। হজরত ঈসা (আ.) আদালতে হাজির হতে গেলে, তাঁকে বলা হলো, আপনার মামলা অন্য আদালতে। সেই  আদালতে গেলে বলা হয়, এখানে নয়, অন্য আদালতে যান। এভাবে হজরত ঈসাকে (আ.)-কে বোকা বানানো হল। সেই দিন থেকে ইহুদি জাতি এপৃল ফুল (এপৃল বোকা) দিনটি পালন শুরু করে।

পয়লা এপৃল গ্রানাডা ট্রাজেডি স্পেনের মুসলিম শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে বিশ্বাসঘাতকতা, আত্মঘাতী, ভাই-ভাইয়ে যুদ্ধ, বিজাতীয়দের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও খৃস্টানদের প্রতারণার করুণ পরিণতির এক লোমকাঁপানো ইতিহাস। করডোভা, সেভিল, ভেলেনসিয়া ইত্যাদি শহর ও গ্রামের পতনের পর সম্মিলিত খৃস্টান বাহিনী  মুসলিম সভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞানের কেন্দ্রস্থল গ্রানাডা রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুুতি শুরু করে। যুদ্ধের এক পর্যায়ে  গ্রানাডার শেষ রাজা আবুল হাসানের কুপুত্র আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বুয়াবদিল এক যুদ্ধে বন্দি হয়ে ফারডিনানডের প্রতারণার ফাঁদে পা দেয়। বুয়াবদিল  তার বাবার স্থলে গদিনশীন করার আশ্বাসে ফারডিনানডের সঙ্গে যোগ দিয়ে নিজের বাবার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ১৪৯২ সালের ৩ জানুয়ারি গ্রানাডা দখল করে ফারডিনান্ড-এর হাতে তুলে দেয়। এ কাজে বুয়াবদিলকে সাহায্য করেছিল তার মা আয়েশা। স্ত্রী ও সন্তানের বিশ্বাসঘাতকতায় পরাজিত হয়ে গ্রানাডার রাজা আবুল হাসান অবশেষে ভাই আল-জাগালের পক্ষে সিংহাসন ও রাজ্য ত্যাগ  করেন। শেষ রক্ষা হয়নি।

১৪৬৯ সালের এরাগন রাজ ফারডিন্যান্ড এবং ক্যাস্টাইলের রানি ইসাবেলার পরিণয়ের পর স্পেনে খৃস্টানরা শক্তিশালী হতে থাকে। অন্যদিকে মুসলিমদের মধ্যে দেখা দেয় দুঃখজনক বিশ্বাসঘাতকতা, সৃষ্টি হয় জীবনবিনাশী আত্মঘাতী ভাই-ভাইয়ে যুদ্ধ ও খৃস্টানদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত বন্ধুত্ব।  

গ্রানাডা পতনের পর বিশ্বাসঘাতক বুয়াবদিলের রাজা হওয়ার স্বপ্ন সফল হয়নি। বৃত্তিভোগী হিসেবে তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। খৃস্টানদের বিরুদ্ধে এলাকাভিত্তিক বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত যুদ্ধ চলতে থাকে।

 

আরও পড়ুন-নারী দুর্বল, তাঁদের অধিকার আদায়ে কারা বেশি গুরুত্ব দিয়েছে, জানুন

 


গ্রানাডাজয়ী ফারডিন্যান্ড ঘোষণা করেন, স্পেনের মুসলিমরা অস্ত্র ত্যাগ করে পয়লা এপৃল (১৪৯২ সাল) মসজিদে আশ্রয় নিলে ক্ষমা পাবে। অত্যাচারিত হবে না।  ফারডিনানডের এই আশ্বাসে আশ্বস্থ হয়ে মসজিদে মসজিদে আশ্রয় গ্রহণকারী অস্ত্রহীন মুসলিম নারী-পুরুষেরা প্রতারণার শিকার হন। মসজিদে মসজিদে আশ্রয় গ্রহণকারী নিরস্ত্র মুসলিম নারী-পুরুষের ওপর সারাদেশে পরিকল্পিত হামলা শুরু হয়। বিভিন্ন মসজিদে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ফারডিনান্ড  বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার স্পেনের মুসলিমদের আর্ত-চিৎকার ভেসে আসে গ্রানাডার আকাশ-বাতাস থেকে দুনিয়াজুড়ে। আঘাত করে আকাশের সীমানায় নির্যাতিত স্পেনের মুসলিমদের আর্তনাদ। দেশটির সবখানে করুণ কান্নার রোল শোনা যায়।  

আজ স্পেনের  ভয়ংকর  পরিস্থিতির কথা  বর্ণনা  করে আত্মতৃপ্তি লাভের সুযোগ নেই।  গ্রানাডায়  বিশ্বাসঘাতকতা, আত্মঘাতী ভাই-ভাইয়ে যুদ্ধ, বিজাতীয়দের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও খৃস্টানদের  প্রতারণার করুণ পরিণতির যে নজির রয়েছে, সেই ভুলের সংশোধনের  মধ্যেই স্পেনের চেতনা নিহিত। এখন সবচেয়ে প্রয়োজন, স্পেনের  বিশ্বাসঘতকতা ও অনৈক্যের করুণ  পরিণতি থেকে শিক্ষা নিয়ে ইসলামের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে মুসলিমদের মধ্যে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তোলা। সম্ভব হলে, এই পৃথিবীকে নতুন করে পরিচালনা করার দায়িত্ব নেওয়া। সৃষ্টি করতে হবে, বৃহত্তর মুসলিম ঐক্যের অনুপ্রেরণা ও দৃঢ় প্রত্যয়, যা যুগে যুগে মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস যোগাবে। আল্লাহ তায়ালার ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখে স্পেনের মুসলিমদের খারাপভাবে হত্যার ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। বিজাতীয়দের দ্বারা নির্যাতিত বিশ্ব মুসলিমের করুণ কান্নার রোল থামাতে এ যুগের কিশোর-তরুণদের ঘুম ভাঙবে কি?

গ্রানাডা ট্রাজেডির পুনরাবৃত্তি রোধে মুসলিম জনতার মন-মনন-মানসিকতার বিশেষ তাৎপর্য নিজেদের চেতনায় সমৃদ্ধ করতে হবে। আরাম-বিশ্রাম উপেক্ষা করে নামতে হবে দুর্র্ধষ সংগ্রামে, দুর্জয় বিশ্বাস নিয়ে। কাজের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি করতে হবে, বিস্ময়কর উন্মাদনা। অনৈক্য, সংশয়গ্রস্থতা ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বাদ দিতে হবে। আত্মবিশ্বাস, অদম্য উৎসাহ, দুর্জয় সাহস এবং অসাধারণ জ্ঞান-প্রজ্ঞার সাহায্যে নবি-রাসুলপ্রেমিক কোটি কোটি জনতাকে একটি সংঘবদ্ধ শক্তিতে পরিণত করতে হবে। বিচ্ছিন্নতা, আত্মবিশ্বাসহীনতা, দুঃসাহসিকতা ও বিপদসংকুলতা মোকাবেলা করে মুসলিম জনতাকে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে হবে, যাতে কারও মনে সন্দেহের সৃষ্টি না হয়। মুসলিম জনতা যেন নতুন দিগন্তের, নতুন আলোক রেখার সন্ধান পায় এবং  নতুন উৎসাহে, নতুন উদ্দীপনায় অনুপ্রাণিত হয়ে উঠতে পারে। তাদের শরীরের অলসতা, মনের নিষ্ক্রিয়তা ও  মননের নিরুৎসাহিকতা দূর হয়। তারা যেন এগিয়ে চলে- দুর্বার গতিতে; কোনো বাধা, কোনো প্রতিবন্ধকতা দেখে তারা যেন ভয় না জাগে। গতিপথে ইসলামি জনতাকে হিমালয়ের মতো সুদৃঢ়, সুস্থির, চঞ্চল, দূরদর্শী, অনির্বাণ দীপশিখার মতো সবসময় জাগ্রত ও সচেতন থাকতে হবে। মুসলিমদের মধ্যে বৃহত্তর ঐক্যের নেশা এমনভাবে জাগিয়ে দিতে হবে, যেন দুশমনদের সকল চক্রান্ত, সকল বাধা-বিঘ্ন ব্যর্থ করে দিয়েই ইসলামি জনতার কাফেলা এগিয়ে যেতে পারে।   

গ্রানাডা ট্রাজেডির কথা মনে রেখে ইসলামি জনতার অন্তর-আত্মাকে ন্যায়, সত্য ও সততা প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এই ট্রাজেডিই আমাদের কাছে এক কঠিন ও মহান শিক্ষার বাণী বহন করে চলছে।  প্রতিটি মুসলিম হৃদয়ে-মননে-মস্তিষ্কে-অস্তিত্বে গ্রানাডা ট্রাজেডির যে প্রভাব রয়েছে, তাতে কোনোই সন্দেহ নেই। এই ট্রাজেডির করুণ পরিণতির কথা মনে রেখে মুসলিম জনতা অনন্তকাল চলতে পারে। পেতে পারে স্বাধীনতার ঠিকানা ও মুক্তির কাক্সিক্ষত খোঁজ। গ্রানাডা ট্রাজেডিই আঙুলে সংকেত দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, অনৈক্য নয়; বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে অন্তরে শক্তি সঞ্চার করতে হবে ইসলাম প্রতিষ্ঠায়। ঐক্যের পথ অব্যাহত রাখতে পারলে নিজস্ব তাহজিব-তামাদ্দুন এবং  ঈমান-আকিদা বজায় রেখে ইসলামি জীবনধারার পথে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ মিলবে।

স্পেনে তখন যেভাবে যুদ্ধ বাঁধিয়ে মুসলিমদের সামাজিক সংহতি-ঐক্য নষ্ট করা হয়েছিল, ঠিক তেমনি পুনরায় মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ বাঁধিয়ে, মুসলিমদের মধ্যে নানা বাদ-মতবাদ ও গ্রুপ সৃষ্টি করে ইসলামি চিন্তার জগতে অশান্তির বেড়াজাল তৈরি করে মুসলিম বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে রাখা হয়েছে। আজকের বিশ্বের নানা ইজমতাড়িত নতুন প্রজন্ম যখন ইসলামের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তখন পাশ্চাত্যসমাজে ইসলামকে সন্ত্রাসী-জঙ্গি ধর্ম হিসেবে প্রমাণ করার হীন ষড়যন্ত্র চলছে। মুসলিমদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-কলহ-মতানৈক্য সৃষ্টি করে গোটা মুসলিম বিশ্বকে পদানত করার গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছে সেই স্পেনের ট্রাজেডির মতো।

বিধর্মীদের সঙ্গে মুসলিমদের চুক্তি বা আশ্বাসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পাশ্চাত্য ও মুসলিম বিশ্বে তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তোলা সময়ের অপরিহার্য দাবি। সমাজবাদী, আধিপত্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী হায়েনাদের হত্যা, লুণ্ঠন ও অত্যাচার-নির্যাতনে মুসলিম বিশ্বের প্রায় সব দেশ এখন  প্রেতরাজ্য। নারকীয় হত্যাকাণ্ড-জুলুমিতাণ্ডব চালিয়ে, রাজনৈতিক ধূম্রজাল সৃষ্টি করে ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে অঘোষিত যুদ্ধে রূপান্তর করে এসব শক্তি মুসলিম বিশ্বে তাদের গভীর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করার আস্ফালন চালাচ্ছে। তাই, পারস্পরিক ক্ষুদ্র মতভেদ ভুলে গিয়ে গোটা মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। না হলে প্রিয় বাংলাদেশসহ তামাম মুসলিম জাহানকে পুনরায় স্পেনের মুসলিমদের করুণ ভাগ্য বরণ করতে হবে, যার ইঙ্গিত আমরা পাশের দেশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে এই সময়েও দেখছি। লাল-সবুজের স্বাধীন মুক্তিকামী বাংলাদেশের মুসলিমদেরও কি সেই স্পেনের গ্রানাডা ট্রাজেডির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না? জবাব, আপনারাই খুঁজুন। সিদ্ধান্ত আপনারাই নিন। চলুন, কথা বাদ দিয়ে যার যার মতো কাজে নেমে পড়ি।  


 

নিবন্ধ : মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী : চেয়ারম্যান, ইসলামী ঐক্যজোট
সম্পাদনা : হাসানুল কাদির : প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ ইসলামিক ইউনিয়ন