আজ বৃহস্পতিবার 9:41 pm21 September 2017    ৬ আশ্বিন ১৪২৪    29 ذو الحجة 1438
For bangla
Beta Total Bangla Logo

ইসি নিয়ে উত্তেজনা বাড়লেও সরকার সিদ্ধান্তে অনড়

আহমদ আবু বকর, নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ১১:৪৪ এএম, ২৯ অক্টোবর ২০১৬ শনিবার | আপডেট: ০৬:২১ পিএম, ১২ নভেম্বর ২০১৬ শনিবার

ইসি নিয়ে উত্তেজনা বাড়লেও সরকার সিদ্ধান্তে অনড়

ইসি নিয়ে উত্তেজনা বাড়লেও সরকার সিদ্ধান্তে অনড়

ইলেকশন কমিশন (ইসি) গঠনের পদ্ধতি নিয়ে দিন দিন উত্তেজনা বাড়ছে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক দিন ধরেই এ বিষয়ে অনেকটা ‘উল্টাপাল্টা’ বক্তব্য-বিবৃতি বিভিন্ন মহল থেকে দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে উত্তাপ এখন গাণিতিক হারে বাড়ছে। পারলামেন্টের বাইরে থাকা দেশের দ্বিতীয় বড় দল বিএনপি সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইসি গঠনের দাবি তুলেছে। বিশেষজ্ঞগণও দিচ্ছেন নানা পরামর্শ। এরপরও সরকার প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে সার্চ কমিটি গঠন করেই আগের মতো সংবিধান অনুযায়ী নতুন ইসি গঠনের সিদ্ধান্তে অনড়।

 

শিষ্টজনের মতে, সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিশন গঠনে নতুন আইন প্রণয়নের বিকল্প নেই। সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে ইসি গঠনের প্রক্রিয়া আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

সরকারি তরফে বলা হচ্ছে- আগেরবারের মতোই সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে নতুন ইসি গঠন করা হবে। এর বাইরে অন্য কোনো পন্থা-পদ্ধতি আপাতত তাদের পরিকল্পনায় নেই।

 
আগামী বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বর্তমান ইলেকশন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২০১২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তারা পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত এই ইসি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়। এই কমিশনের আমলে অনুষ্ঠিত বেশ কিছু ইলেকশনের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের পক্ষ থেকেও বর্তমান কমিশনের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পাঁচ জানুয়ারির ইলেকশন বর্জনকারী রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে ইসি গঠনের বিষয়ে সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনার দাবি জানানো হচ্ছে। এরপরও ইসির জন্য নতুন আইন প্রণয়নের বিষয়ে তাদের জোরালো কোনো অবস্থান নেই।

সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে প্রেসিডেন্ট ইলেকশন কমিশনে কমিশনার নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এর আগে প্রায় সব ইসি গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। এই বিতর্ক এড়াতে প্রয়োজন স্থায়ী সমাধান। একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই এই বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

এতে ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে যাকে খুশি তাকে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগও বন্ধ হবে।

বর্তমান ইলেকশন কমিশনের একাধিক সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, নতুন ইসি গঠন নিয়ে তারা কোনো মতামত বা সুপারিশ করবেন না।

ইলেকশন কমিশনার মো. আবু হাফিজ বলেন, নতুন ইসি কারা হবেন, কোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হবে- সেটা সরকারের বিষয়। এ জন্য পারলামেন্ট রয়েছে। সরকার সেখানে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

স্বাধীন বাংলাদেশে মাত্র দুই বার দুই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিইসি ও অন্যান্য ইলেকশন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক সরকারের সময় আলোচনার মধ্য দিয়ে নিয়োগের বিষয়টি ছিল উপেক্ষিত।

 

প্যানেল তৈরিতে সার্চ কমিটি গঠনের প্রস্তাব

গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ড. শামসুল হুদার নেতৃত্বে তিন সদস্যের ইলেকশন কমিশনের আমলে দেশের নির্বাচনী আইনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে। ওই সময়ে ইসি গঠন নিয়েও একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে ওই প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।

২০১১ সালের ২৯ জুন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধন হয়। এতে ইলেকশন কমিশনকে শক্তিশালী করতে চিফ ইলেকশন কমিশনারসহ অনধিক চার ইলেকশন কমিশনার নিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ সদস্যের কমিশন গঠনের বিধান যুক্ত হয়। এর আগে কমিশনের সদস্য সংখ্যা নির্দিষ্ট ছিল না।

শামসুল হুদা কমিশনের ওই প্রস্তাবের সার্চ কমিটিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকমিশন চেয়ারম্যান ও মহাহিসাব নিরীক্ষকসহ বিদায়ী সিইসিকে রাখার সুপারিশ করা হয়েছিল। এতে একজন নারী সদস্যকে রাখারও প্রস্তাব করা হয়। সংবিধানের সঙ্গে সমন্বয় রেখে- দি ইলেকশন কমিশনারস (মেথড অব রিক্রুটমেন্ট) অরডিন্যান্স নামে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এতে কমিশনারদের পদ শূন্য হওয়ার কমপক্ষে এক মাস আগে সিইসিকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের সার্চ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছিল। এছাড়াও কমিশন থেকে আকস্মিকভাবে কেউ পদত্যাগ করলে বা সরানো হলে সঙ্গে সঙ্গে সার্চ কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়।

ইলেকশন কমিশনের আইন কর্মকর্তারা জানান, সিইসি ও ইলেকশন কমিশনার নিয়োগে সংবিধানে বা দেশের প্রচলিত আইনে কোনো যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি। সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে চিফ ইলেকশন কমিশনার ও অন্যান্য ইলেকশন কমিশনার নিয়োগের এখতিয়ার প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয়েছে।

এ এখতিয়ার প্রয়োগে প্রেসিডেন্ট স্বাধীন নন। সংবিধানের ৪৮ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী প্রেসিডেন্টকে এ নিয়োগ দিতে হয়। যোগ্যতার শর্তাবলি না থাকায় যে কোনো ব্যক্তিকে এ পদে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একবার নিয়োগ পেলে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ ছাড়া তাকে অপসারণের আইনগত কোনো সুযোগও নেই।

ওই প্রস্তাবে কমিশনে নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু অযোগ্যতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল। এরমধ্যে রয়েছে, ৬৫ বছরের বেশি বয়স, শিক্ষাগত জীবনে কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ পাওয়া, আয়ের সঙ্গে জীবন-যাপন ব্যয়ের অসঙ্গতি, মিডিয়া ও জনগণের কাছে বিতর্কিত, কোনো রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় পর্যায়ে সম্পৃক্ততা, আধা-রাজনৈতিক বা পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, সরকারি চাকরি থেকে বহিষ্কৃত বা বাধ্যতামূলক অবসর, ঋণখেলাপি ও বিলখেলাপি।

 

ইসি বিষয়ে বিজ্ঞজনেরা কী বলছেন

সাবেক সিইসি ড. শামসুল হুদা বলেন, অনেক দেশে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পরামর্শ করে ইলেকশন কমিশন গঠন করা হয়ে থাকে। এটি একটি ভালো কৌশল। আমরা কমিশনার নিয়োগ আইনের যে খসড়া তৈরি করে সরকারের কাছে দিয়েছিলাম, সেখানে এ প্রস্তাব ছিল। রাজনৈতিক দলগুলোর মত নিয়ে কমিশন গঠন করা হলে জনগণের আস্থা তৈরি হবে। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ ও আস্থাযোগ্য কমিশন গঠন করতে হলে একটি পদ্ধতি বের করতে হবে। সেটা করা সম্ভব হলে ইসির ওপর জনগণের আস্থা তৈরি হবে।

বিশিষ্ট আইনজীবী ড. শাহ্দীন মালিক মনে করেন, সংবিধানের আলোকে একটি আইন প্রণয়ন ছাড়া ইসি গঠিত হলে তা আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এ অবস্থায় ভবিষ্যতে কমিশনার হিসেবে যারা শপথ নেবেন, তারা আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন। তাঁর মতে, গত ৪৪ বছর সংবিধানের এই নির্দেশনা মানা হয়নি বলে, এবার পার পাওয়া যাবে না।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, অতীতে সুষ্ঠু ইলেকশন হলেও বর্তমানে দেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বর্তমান ইসি সঠিকভাবে কাজ করেনি বা করতে পারেনি। সুষ্ঠু ইলেকশনের জন্য স্বাধীন ইসি ও সরকারের সদিচ্ছা প্রয়োজন।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ইলেকশন কমিশনার নিয়োগে একটি আইন প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা থাকলেও গত ৪৪ বছরেও তা মানা হয়নি। আইন প্রণয়ন না করে নিয়োগ দেওয়া হলে এবার তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। অতীতে সঠিক পদ্ধতিতে কমিশনার নিয়োগ না দেওয়ার কারণে স্বাধীন হলেও কমিশনের সদস্যরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেনি।

 

ফের সার্চ কমিটি, ফের বিতর্ক

পাঁচ সদস্যের ইলেকশন কমিশন নিয়োগে আগেরবারের মতো সার্চ কমিটির মাধ্যমে নতুন ইসি গঠন হচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ইসি নিয়োগের প্রক্রিয়া আগের মতোই বহাল থাকছে।

সরকারের একই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও। তিনি বলেন, এবারো আগের প্রক্রিয়ায়ই ইসি নিয়োগ হবে। ২০১২ সালে যেভাবে বর্তমান ইসি গঠন করা হয়েছিল, এবারো সেভাবেই হবে। সংবিধানের আলোকে আইন প্রণয়নের বিষয়টি এখনও সরকারের বিবেচনায় আসেনি। আপাতত পরিকল্পনাও নেই।

সংবিধানের আলোকে প্রেসিডেন্ট সবসময় সিইসি ও ইসি নিয়োগ দিলেও ২০১২ সালে সবশেষ কমিশন গঠিত হয় সার্চ কমিটির মাধ্যমে। ওই সময়ে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মরহুম জিল্লুর রহমান।

২০১২ সালের ২৪ জানুয়ারি নতুন ইলেকশন কমিশন গঠন নামের সুপারিশ তৈরি করতে চার সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারককে সভাপতি করে গঠিত কমিটিতে সদস্য হন হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং সরকারি কর্মকমিশন চেয়ারম্যান। এর আগে বিএনপিসহ ২৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বঙ্গভবনে সংলাপে বসেন জিল্লুর রহমান। ওই সংলাপেও অধিকাংশ দলই সংবিধান অনুসারে সিইসি ও ইসি নিয়োগে পৃথক আইন প্রণয়নের পক্ষে মত দেয়।

সার্চ কমিটির আহ্বানে আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি দল নতুন কমিশনের জন্য তাদের পছন্দের ব্যক্তির নামের তালিকা দিয়েছিল। বিএনপি থেকে কোনো নাম দেয়নি। প্রেসিডেন্টের আদেশের পর ২০১২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সিইসি ও চার ইলেকশন কমিশনার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরদিন প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিয়ে তারা যোগ দেন ইসিতে।

 

এর আগে দায়িত্বে ছিলেন ১১ সিইসি, ২৩ ইসি

ইসি কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনে ১১ জন সিইসি ও ২৩ ইলেকশন কমিশনার এ পর্যন্ত নিয়োগ পেয়েছেন। এরমধ্যে সামরিক শাসনামলে একজন সিইসির মেয়াদ বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে মাত্র একবার। দেশের প্রথম সিইসি ছিলেন মো. ইদ্রিস। তাঁর পাঁচ বছর মেয়াদ ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই শেষ হলে পরদিনই নিয়োগ পান বিচারপতি এ কে এম নুরুল ইসলাম। এরশাদের শাসনামলে তিনি প্রায় আট বছর সিইসি ছিলেন। ১৯৮৫ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি নুরুল ইসলামের মেয়াদ শেষের দিনে নিয়োগ পান বিচারপতি চৌধুরী এ টি এম মাসুদ।

বিচারপতি সুলতান হোসেন খান ১৯৯০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সিইসি হন। এরশাদ শাসনামলে তিনি ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিইসি ছিলেন। এরপর বিচারপতি আবদুর রউফ, বিচারপতি এ কে এম সাদেক, মোহাম্মদ আবু হেনা, এম এ সাঈদ ও বিচারপতি এম এ আজিজ। এম এ আজিজের বিরুদ্ধে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগসহ অন্যরা রাজপথে আন্দোলনে নামেন। এক পর্যায়ে তিনি বিদায় নেন।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার সময় কয়েক দফায় নিয়োগ পেয়ে একসঙ্গে সাতজন কমিশনার দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাদের সবাই একযোগে পদত্যাগ করেন। এরপর ড. শামসুল হুদা সিইসি হিসেবে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূরণ করলে বর্তমান কমিশন গঠিত হয়।