আজ বৃহস্পতিবার 9:52 pm21 September 2017    ৬ আশ্বিন ১৪২৪    29 ذو الحجة 1438
For bangla
Beta Total Bangla Logo

ইনডিয়ায় হিন্দু দম্পতিদের থেকে ‘১০টি করে সন্তান’ চায় আরএসএস

ধর্ম ডেস্ক

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ১২:৫৪ এএম, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ বুধবার

ইনডিয়ার সুপরিচিত হিন্দু সন্ন্যাসী বাসুদেবানন্দ সরস্বতী

ইনডিয়ার সুপরিচিত হিন্দু সন্ন্যাসী বাসুদেবানন্দ সরস্বতী

ইনডিয়ার একজন সুপরিচিত হিন্দু সন্ন্যাসী বাসুদেবানন্দ সরস্বতী প্রত্যেক হিন্দু দম্পতিকে অন্তত দশটি করে সন্তানের জন্ম দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ঈশ্বরই এই সন্তানদের দেখাশুনো করবেন। ইনডিয়ার ‘টাইমস অব ইনডিয়া’ পত্রিকা জানিয়েছে, রবিবার নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস-র আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওই হিন্দু সাধু এ মন্তব্য করেন।

 

আরএসএস-কে ইনডিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির আদর্শগত অভিভাবক হিসেবে গণ্য করা হয়। তাদের পক্ষ থেকেই সঙ্ঘের সদর দফতর নাগপুর শহরে ওই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।


‘ধর্ম সংস্কৃতি মহাকুম্ভ’ নামে তিন দিনের ওই সম্মেলনে প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইনডিয়ায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জনসংখ্যা কমে যাওয়া ও হিন্দু ধর্মের প্রভাব হ্রাস কীভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা।

 

সেখানেই স্বামী বাসুদেবানন্দ সরস্বতী বলেন, ইনডিয়ার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য যে ‘দুই সন্তান নীতি’  চালু করা হয়েছিল, হিন্দুদের তা এবার প্রত্যাখ্যান করার সময় এসেছে।


প্রত্যেক হিন্দু মায়ের অন্তত দশটি করে সন্তানের জন্ম দেওয়া উচিত বলে অভিমত প্রকাশ করে তিনি আরও জানান, এতগুলি সন্তানের ভরণপোষণ নিয়েও বাবা-মার চিন্তা করার দরকার নেই-কারণ ‘ঈশ্বরই তাদের পালন করবেন’।


ওই সম্মেলনে আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত এবং সঙ্ঘ পরিবারের আরেকটি সহযোগী সংগঠন, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা প্রবীন টোগাডিয়াও উপস্থিত ছিলেন।


এমন কী তিন দিনের সম্মেলনে বিভিন্ন সময়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনবিশ, আসামের রাজ্যপাল বানোয়ারিলাল পুরোহিত বা নাগপুর শহরের মেয়র প্রবীন ডাটকে-র মতো ভিআইপি-রাও উপস্থিত হয়েছিলেন।


আরএসএস দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, ইনডিয়ায় হিন্দুদের আনুপাতিক জনসংখ্যা ক্রমশ কমে আসছে, অথচ অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

 

সঙ্ঘ পরিবারের নেতারা অতীতেও অনেকবার হিন্দুদের বেশি বেশি করে সন্তান জন্ম দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাতে যে খুব একটা সাড়া মিলেছে, পরিসংখ্যান সে কথা বলে না!


সূত্র : বিবিসি