আজ সোমবার 10:32 am06 July 2020    ২১ আষাঢ় ১৪২৭    15 ذو القعدة 1441
For bangla
Total Bangla Logo

ইউনেসকোর রায়, মসজিদুল আকসার সঙ্গে ইহুদিদের সম্পর্ক নেই

সাদেকা হাসান

আলজাজিরাবাংলা.কম

প্রকাশিত : ০৪:৫১ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৬ শনিবার

ইউনেসকোর রায়, মসজিদুল আকসার সঙ্গে ইহুদিদের সম্পর্ক নেই

ইউনেসকোর রায়, মসজিদুল আকসার সঙ্গে ইহুদিদের সম্পর্ক নেই

জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদের সঙ্গে ইহুদি ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই বলে ইউনেসকো রায় দিয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে জেরুজালেমের ওপর ইহুদি ধর্মের দাবি নস্যাৎ হয়ে গেল। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনিদের দাবি আরও জোরদার হলো।

মসজিদুল আকসার ইতিহাস-ঐতিহ্য শুধু মুসলমানদের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত- এমন দাবি সম্বলিত প্রস্তাব নিয়ে জাতিসংঘের সংস্থাটিতে ২৪ সদস্য পক্ষে ভোট দেয়, বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র ৬টি। ২৬ সদস্য ভোট দেয়নি।

মিসর, আলজেরিয়া, মরক্কো, লেবানন, ওমান, কাতার, সুদান ও ফিলিস্তিন এই প্রস্তাব উত্থাপন করে। প্রস্তাবে বলা হয়, আল আকসা মসজিদ এবং এর আঙিনা কেবল মুসলমানদের জন্যই পবিত্র।


ইসরায়েলি কূটনীতিকরা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করা কিংবা অন্তত ভোটদানে বিরত থাকতে ইউনেসকো সদস্যদের রাজি করানোর চেষ্টা করে।

মসজিদুল আকসা নিয়ে মুসল‍মানদের সঙ্গে ইহুদিদের বিরোধ দীর্ঘ দিনের। চলমান এমন বিরোধের মাঝে ইউনেসকোর এমন রায়ে চটে গিয়ে ইসরায়েল ইউনেসকোর সঙ্গে তাদের সহযোগিতা স্থগিত ঘোষণা করেছে।


ইউনেসকোর রায়ে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসাকে কেবল ‘হারাম শরিফ’ বলে উল্লেখ করা হয়, এটি মুসলমানদের কাছেও এ নামেই পরিচিত। ইহুদিরা এ স্থানকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ বলে।


অবশ্য এই রায়ে পুরান জেরুজালেমের ওই জায়গার সঙ্গে বিশ্বের প্রধান তিন ধর্মের সম্পর্কের গুরুত্ব স্বীকার করা হয়। কেবল পাহাড় চূড়াটিকে হারাম শরিফ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এর সঙ্গে শুধু মুসলমানদের আদি বৈশিষ্ট্য সম্পৃক্ত।


এই মসজিদুল আকসা থেকেই হজরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজ গমন করেছিলেন।  ইসলামে এটি তৃতীয় পবিত্রতম স্থান বলে বিবেচিত। ইহুদিদের বিশ্বাস, এখানেই দু’টি অত্যন্ত প্রাচীন ইহুদি মন্দিরের অবস্থান।

ইউনেসকোর এই প্রস্তাবে ফিলিস্তিনিদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পূর্ব জেরুজালেমের আদি বৈশিষ্ট্য ধরে রাখার কথা বলা হয়। সেখানে ইসরায়েলি কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা করে বলা হয়, ইসরায়েল সেখানে বল প্রয়োগ করছে। মুসলিমদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।‍-মিডল ইস্ট মনিটর

বিদেশ-এর সর্বশেষ খবর