Total Bangla Logo
For bangla আজ বৃহস্পতিবার 12:39 am
27 July 2017    ১১ শ্রাবণ ১৪২৪    02 ذو القعدة 1438

আন্জুমানের মহাসম্মেলন, কোরআনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ডাক

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

টোটালবাংলা২৪.কম

প্রকাশিত : ০৪:৪০ পিএম, ১২ নভেম্বর ২০১৬ শনিবার | আপডেট: ০৫:০২ পিএম, ১২ নভেম্বর ২০১৬ শনিবার

ফুজালাদের পাগড়ি পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছবি : প্রেস রিলিজ

ফুজালাদের পাগড়ি পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছবি : প্রেস রিলিজ

আন্জুমানে তা`লীমুল কোরআন বাংলাদেশ-এর ৩৫ বছর পূর্তিতে দুইদিন ব্যাপী দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিলেটের কদমতলী কমপ্লেক্স ময়দানে পাঁচ সালা এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো গত ১০ ও ১১ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে। এই সম্মলেন থেকে বিভিন্ন বছরের ফারেগ পাঁচ হাজার ফুজালাকে পাগড়ি পরিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সম্মেলনে অংশ নেওয়া অতিথিগণ ফুজালাদের বলেছেন, কোরআনের দাওয়াত প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তাহলেই কাঙ্ক্ষিত আলোকিত সমাজ গড়ে উঠবে।

সম্মলেনে প্রধান অতিথি ছিলেন রিসালাতুল ইনসানিয়াহ বাংলাদেশের আমির মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী। বক্তব্য দেন আন্জুমান সভাপতি মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম, শায়খুল হাদিস আল্লামা আব্দুস শহীদ গলমুকাপনী, মাওলানা শায়খ আব্দুল বারী ধরমপুরী, শায়খুল কুররা মাওলানা আব্দুল হাকিম, মাওলানা মুজিবুর রহমান পেশোয়ারী, মাওলানা নুরুল ইসলাম শায়খে বিশ্বনাথী, মুফতি আবুল কালাম যাকারিয়া, পৃন্সিপাল মাওলানা মজদুদ্দীন আহমদ, সাবেক এমপি মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী, মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মাওলানা আনোয়ার হুসাইন সুনামগঞ্জী, শায়খ মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু গহরপুরী, পৃন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা মুসা বিন হাবীব, মাওলানা হাম্মাদ আহমদ গাজিনগরী, মুফতি মুজিরুদ্দীন কাসেমী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আলী আসকর, মুফতি শিব্বির আহমদ ভাইস চেয়ারম্যান বিয়ানীবাজার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ইমামুদ্দীন নাসিরী প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ফারুকী বলেন, ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রথম শর্ত, সকল মুসলমানকে কোরআন শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসা। একটি সমাজের পরিবর্তন কেবল নবুওতের কর্মসূচির মাধ্যমেই সম্ভব। নবুওতের আগে হিলফুল ফুজুল দিয়েও সমাজে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। কারণ, সেটা নবুওতের কর্মসূচি ছিলো না। রাসুল (সা.) সমাজ পরিবর্তন করেছেন নবুওতের পর নবুওতি কর্মসূচির মাধ্যমে।

তিনি বলেন, সমাজ বিপ্লবের নবুওতি কর্মসূচি হলো সকল মুসলমানকে কোরআন পড়া এবং বোঝায় সক্ষম করে গড়ে তোলা। আত্মার শুদ্ধি ঘটানো। প্রতিটি মুসলমানকে কোরআন বুঝতে সক্ষম করে গড়ে তোলা এবং কোরআনের আমলের ওপর নিয়ে আসা।

ফুজালাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের শুধু পাগড়ি নিয়ে বসে থাকলেই হবে না। সেবা ও কোরআনের আলো নিয়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে যেতে হবে। ইসলামের জয়ের জন্য তৃণমূল জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। রাসুল (সা.) সমাজের দুঃখী অসহায় মানুষের বোঝা নিজের মাথায় তুলে নিতেন। দুর্যোগে মানুষের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়তেন। আমাদেরকেও তাই করতে হবে।

মাওলানা ফারুকী বলেন, সভ্য দাবিদার পশ্চিমারা ইতিমধ্যে অসভ্য প্রমাণ হয়েছে। তারা সভ্য পৃথিবীর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম নয়। সাম্প্রতিক আমেরিকান ইলেকশনে তারা অসভ্যতার পক্ষে রায় দিয়েছে। এটাই তাদের অসভ্য হওয়ার প্রমাণ বহন করে। পৃথিবীতে সভ্যতার নেতৃত্ব দিবে মুসলমানরা। মুসলমানদের কাছে নবুওতের আমানত কোরআন আছে। পৃথিবীতে এখনো যা ভালো ও কল্যাণকর আছে, তা নবুওত ও আসমানি কোরআনেরই অবদান।-প্রেস রিলিজ